দাবী লিচুগাছে অলৌকিক আম। দিনভর নাটক দেখে ‘ভুদার বাল’ চিৎকার বাংলাদেশে কৃষি অফিসারের

বাংলাদেশের ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় লিচু গাছে আম ধরা ও তা ছিঁড়ে ফেলা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। বিরল এ ঘটনা দেখতে দূরদূরান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসছিলেন বহুমানুষ। এরই মাঝে হঠাৎ জানা গেল আমটি রাগের বশে ছিঁড়ে ফেলেছেন স্থানীয় এক সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য।

এদিকে আম ছেঁড়ার ঘটনার একদিন পরেই গাছের বোটা শুকিয়ে যাওয়া ও তাতে আঠা জাতীয় কিছু দেখা যাওয়া ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। এদিন লিচু গাছে আম ফলেছে এই খবরে চারিদিক ছেয়ে যায়; অলৌকিক ক্ষমতা বলে এমন সম্ভব বলে অনেকে অনেক রকম দাবী করতে থাকেন। কিন্তু;

হঠাত সেদিনই বিকেলে দাবী করা হয় কেউ আমটি ছিড়ে ফেলেছে। সেখানকার সাবেক মেম্বার “আমি ছিড়ে ফেলবো” হুমকি দেন এবং তার পরেই সেটি গাছে আর দেখা যায় নি। তবে তিনি অস্বীকার করে বলেন; হুমকি দিলেও তিনি এমন কিছু করেননি। ভিড়ের কারণে এক্সিডেন্ট হওয়ায় রাগের বসে তিনি এমন বলে ফেলেন।

এদিকে সেদিন কৃষি গবেষনা কেন্দ্র থেকে সেটা দেখতে লোক চলে আসে আর তখনই দেখা যায় আমটি আর গাছে নেই। তবে সেই গাছের বোটায় আঠা জাতীয় কিছু দেখা মিলেছে যেগুলো আমের আঠা নয়। সাথে কিভাবে বোটা একদিনে শুকিয়ে যায় তা নিয়ে প্রশ্ন দানা বেধেছে।

এর মধ্যে এক কৃষি অফিসার হঠাত কটুক্তি করে ওঠেন আম গাছেন মালিকের নামে। তাদের অকারণে মিথ্যে বলে হ্যারাস করা হয়েছে বলেও দাবী করেন তিনি। দিনের শেষে এটাই বোঝা যায় ধাপ্পাবাজ গাছের মালিক আঠা দিয়েই আম জুড়েছিলেন গাছে। লিচু গাছে আম ধরার ঘটনার কোনো বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা দিতে পারেননি উদ্যানতত্ত্ব বিশেষজ্ঞরা। ফলে এটিকে একটি অলৌকিক ঘটনা মেনে নিয়েছিল অনেকেই। বিষয়টি পর্যবেক্ষণের জন্য কয়েক দিন অপেক্ষার সিদ্ধান্ত হয়েছিল।

দেখুন সেই ভিডিও এখানে ক্লিক করেঃ

কারণ আমটি কোনো কৌশলে লাগানো হলে তা ঝরে পড়বে বা শুকিয়ে যাবে। কৃষি কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, আমটি যদি বড় হতে থাকে, তখন সেটাকে অস্বাভাবিক ঘটনা হিসেবে নেওয়া হবে। তখন এটা নিয়ে গবেষণার সুযোগ থাকবে। তবে আমটি ছিঁড়ে ফেলার পর থেকেই স্থানীয়রা এটিকে সাজানো বলে অভিহিত করছেন। তবে যারা নিজের চোখে লিচুর গাছে আম ঝুলতে দেখেছেন তারা বিষয়টি অলৌকিক বলেই ধরে নিয়েছেন।

Leave a Comment